পাপড়ি রহমান
টাঙ্গাইল। বাংলাদেশ।
গল্পকার। উপন্যাসিক।
গল্পের বই ৫টি : লখিন্দরের অদৃষ্ট যাত্রা, হলুদ মেয়ের সীমান্ত।
উপন্যাস : পোড়া নদীর স্বপ্নপুরান, বয়ন, পালাটিয়া।
ছোট কাগজ, বড় কাগজ, সম্পাদনা ইত্যাদি মিলিয়ে আমি সারা বছরই নানান রকম লেখার চাপে থাকি। এমনিতেই তো লিখি খুব কম । ফলে লেখার চাহিদার সাথে যোগান দেয়া সম্ভব হয় না। যে কোনো ফরমাইশি লেখা আমাকে বিব্রত করে, এজন্য যে সঠিক টাইমে লেখাটি দেয়ার অভিপ্রায়ে প্রায় অস্থির থাকি। ঈদের প্সেশাল ইস্যুগুলো বা অন্য
স্পেশাল ইস্যুগুলোতে লিখলেই যে কেউ ভাল বা বড় লেখক- এমন ভাবনা আমার নেই। লেখাটি কেমন হলো এ
বিবেচনায় আমি ভাল লেখক মূল্যায়ন করি। নিজেও সচেতন থাকি ট্র্যাশ কোনো লেখা যেন আমি কিছুতেই না
লিখি। তারপরও ঈদ বলে কথা। থাকে লেখার প্রচুর আমন্ত্রণ, হয়তো ছয়টি পত্রিকা থেকে ঈদের লেখার ডাক পাই
কিন্তু কম লেখা স্বভাবের জন্য তিনটির বেশি লেখা কিছুতেই দিতে পারিনা।তাও আমার সারা বছরের সঞ্চয় ওসব।
এতে সমস্যাও হয়, যাদের লেখা দিতে পারিনা তারা ভাবে আমি মুডি বা অহংকারি বা ইচ্ছে করেই দিলাম না।
আদতে তা নয়।আমি লিখিই তো বছরে তিনটে বা চারটে গল্প। আর তিন-চার বছর পর পর একটা করে উপন্যাস।
উপন্যাস আমি কাউকে ছাপতে দেই না। আমার মনে হয় বই প্রকাশের আগে কেউ উপন্যাসটি পড়ে বা দেখে
ফেললে তাতে নতুনত্ব বা চমক ম্লান হয়ে যায়।
বারংবার লেখা চাওয়ার পরও লেখা দিতে পারিনা বলে পত্রিকাওয়ালার প্রায়শই ভুল বোঝে আমাকে। আমার গুটিয়ে
থাকা স্বভাবের জন্য এই অপারগতাও তাদের জানাতে পারিনা।
এবারেও যাবে তিনটে ঈদ সংখায় তিন ধরণের গল্প। এর একটা সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া সাম্প্রাদিয়কতা নিয়ে।যদি
এর মাঝে আর একটি গল্প লিখতে পারি তাহলে ঈদসংখ্যার লেখা হবে চার।কোন কোন পত্রিকায় যাবে নাম
জানাচ্ছি না।তবে বাংলাদেশের উঁচু সাহিত্য মানের পত্রিকাগুলোতেই অবশ্যই। নাম জানাচ্ছি না এজন্য যে সন্তান
ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগে নাম জানাতে বিব্রত লাগে।

No comments:
Post a Comment